জ্বর হলে করণীয়।কোন জ্বরের কি লক্ষণ।ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ

জ্বর হলে করণীয়।কোন জ্বরের কি লক্ষণ।ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ 




আসছালামু আলাইকুম বন্ধুরা আজকে আমি একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। আজকে আমি যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো সেটি হচ্ছে ডেঙ্গু জ্বর  আর বন্ধুরা বর্তমান সময়ে আমাদের এখন কোন কিছু তথ্যের প্রয়োজন হলে সেটা গুগলে সার্চ দিয়ে দেখি। তাই আপনাদের সুবিধার্তে আমার ওয়েবসাইটে ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে কিছু গুরুত্ব বিষয় আলোচনা করা হলো।

জ্বর হলে করণীয়

সবচেয়ে কমন যে জ্বর টি হয় সেটি হলো ভাইরাল ফিবার এই ভাইরাল ফিবার  জ্বরটির সাথে আপনারা সবাই হয়তো কম বেশি পরিচিত। এবং এই ভাইরাল ফিবার এ খুব বেশি কিছু করণীয় নাই। 

এটা সিন্টোমেটিকেলি মানে হচ্ছে যে ধরণের উপসর্গ হবে যেমন জ্বর থাকলে প্যারাসিটআমল খেতে হবে। খুব বেশি জ্বর না থাকলে কোন কিছু না খেলে ও চলবে। শুধু গা টা স্পনস করলে ও চলবে। মাথা ব্যথা থাকলে প্যারাসিটআমল খেতে হবে এবং অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে পানি জাতীয় খাবার খেতে হবে। এবং একই সাথে একটু রেস নিতে হবে। রেস নিলে জ্বরটা দ্রুতই কমে যাই।

বিভিন্ন ধরণের জ্বর 

যেমন ব্যাকটেরিয়ার জন্য হয় টায়ফাইট ফিবার, নিউমোনিয়া এবং মেরেলিয়া ও হতে পারে। এছাড়া আরো বিভিন্ন ধরণের হতে পারে। তার মধ্যে এগুলোই হচ্ছে কমন জ্বর।

উচ্চ তাপমাত্রায় করণীয়

সাধারণত ভাইরাল জ্বরটা ৪-৫ দিন থাকে। এ জ্বর হলে কিছু প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। যেমন নাক দিয়ে পানি পড়া,  চোখ জ্বালা পোড়া, মাথা ব্যথা এবং জ্বরটা বেশি তাপমাত্রায় থাকে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে যেমন যদি জ্বরের সাথে খুব সিভিয়ার হেটে কোন ভাবেই কমছে না অথবা জ্বরের সাথে অনেক কাশি, কফ এবং অনেক সময় দেখা যায় যে কাশির সাথে রক্ত দেখা যাচ্ছে এগুলোর ক্ষেত্রে কিন্তু চিকিৎসা নিতে হবে দ্রুত।

কোন জ্বরের কি লক্ষণ

টাইফাইড: টাইফাইট হলো একটি ব্যাকটেরিয়া জ্বর এটি দেখা দিয়ে থাকে খাবার এবং পানির মাধ্যমে যেক্ষে কিন্তুু কোন অস্বাস্থ্য কর খাবার ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে। বিশেষ করে আমরা দেখি যে ইস্কুল কলেজের সামনে যে চটপটি ফুসকা দোকান থাকে সেখান থেকে খাবার পরে টাইফাইট নিয়ে আসে এবং জন্ডিস নিয়ে ও আসে। কারণ চটপটি বা ফুসকায় যে পানিটা দেওয়া হয় সেটা বিশুদ্ধতার কারণে এটি হয়ে থাকে।



ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ

ডেঙ্গু জ্বর হলে আমরা বুঝতে পারি যে সাধারণত তাপমাত্রা ১০২ -১০৪ ডিগ্রি হয়ে থাকে। আর ডেঙ্গু জ্বরের স্থায়িত্ব ২-৭ দিন এবং এটার আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় ৪-৫ জ্বর থাকার পরে আবার জ্বর টা ড্রপ হয়ে যায়।

এসব লক্ষণ গুলো যদি দেখা দিয়ে থাকেন তাহলে বুঝবনে ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে।




Post a Comment (0)
Previous Post Next Post