Tofen সিরাপ এর কাজ কি। Tofen কাজ কি। Tofen syrup খাওয়ার নিয়ম

Tofen সিরাপ এর কাজ কি। Tofen কাজ কি। Tofen syrup খাওয়ার নিয়ম

কিটোটিফেন







উপস্থাপন :

টোফেন ট্যাবলেট। প্রতিটি ট্যাবলেটে রয়েছে কিটোটিফেন ফিউমারেট বিপি .৩৮ মি.গ্রা. যা মি.গ্রা. কিটোটিফেন এর সমতুল্য।

টোফেনসিরাপ: প্রতি মি.লি. সিরাপে রয়েছে কিটোটিফেন ফিউমারেট বিপি .৩৮ মি.গ্রা. যা মি.গ্রা. কিটোটিফেন এর সমতুল্য।

বিবরণ

কিটোটিফেন একটি নন-ব্রঙ্কোডাইলেটর হাঁপানিরোধী ওষুধ যা আভ্যন্তরীণ কিছু উপাদান (যা প্রদাহ সঞ্চালক হিসেবে পরিচিত) এর কার্যকারিতায় বাধা প্রদান করে। আরও বলা যায়, কিটোটিফেন একটি কার্যকরি এ্যালার্জিরোধী উপাদান যার একটি শক্তিশালী এবং দীর্ঘমেয়াদী কার্যকর অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিস্টামিন (H1) রিসেপ্টর বাধাদানকারী ধর্ম রয়েছে।

কিটোটিফেন এমন এক ধরণের হাঁপানির ওষুধ যা প্রতিদিন নেয়া হলে এবং অন্যান্য হাঁপানীরোধী চিকিৎসার সাথে একত্রে ব্যবহৃত হলে রোগীদের হাঁপানির উপসর্গ বা আক্রমনের সংখ্যা (ফ্রিকোয়েন্সি), তীব্রতা স্থায়িত্ব কমাতে পারে। একইসাথে এটি পালমোনারী কার্যকারিতায় (FEV1, FVC এবং PEFR) ক্ষতি সাধন ছাড়াই হাঁপানিরোধী ওষুধ যেমন থিওফাইলিন এবং বিটা- এগোনিষ্ট এর প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে।

কিটোটিফেন এর প্রতিরোধী কার্যকারিতা পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হতে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। হাঁপানির সুনির্দিষ্ট আক্রমণ কিটোটিফেন প্রতিহত করে না।

নির্দেশনা

• হাঁপানির প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা

এলার্জিক রাইনাইটিস

• এলার্জি জনিত হে ফিভার ত্বকের প্রতিক্রিয়া সমূহ

• এলার্জিক কনজাংটিভাইটিস্

সেবনবিধি মাত্রা

পূর্ণবয়স্ক :সাধারণভাবে ১ মি.গ্রা. করে দিনে ২ বার খাবারের সাথে খেতে হবে। বিশেষ ক্ষেত্রে এক সাথে ২ মি.গ্রা. দিনে ২ বার খাওয়া যাবে। 

৩ বছরের অধিক বয়স্ক : ১ মি.গ্রা. করে দিনে ২ বার আহারের সাথে সেব্য। খুব বেশি ঘুম পেলে চিকিৎসা শুরুর প্রথম ক’দিন রাতের বেলা খাবারের সাথে ০.৫ থেকেক ১ মি.গ্রা. এ্যালারিড অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে।

৬মাস -৩ বছরের শিশু : প্রতি কেজি ওজনের জন্য ০.০৫ মি.গ্রা (০.২৫ মি.গ্রা.সিরাপ ) করে দিনে ২ বার ( সকালে এবং বিকালে ) সেব্য।

বার্ধক্য : পূর্ণবয়স্কদের অনুরূপ মাত্রা অথবা চিকৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

যে সব ক্ষেত্রে ব্যববহার করা যাবে না:

যে সব রোগীদের এই ওষুষের প্রতি সংবেদনশীলতা থাকে তাদের জন্য এটা ব্যবহার করা যাবে না।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া :

চিকিৎসা শুরুর প্রথম কয়েক দিন তন্দ্রাচ্ছন্নতা এবং বিচ্ছিন্ন কিছু ক্ষেত্রে মুখ গহ্বরের শুষ্কতা, সামান্য মাথা ঘোরা ভাব হতে পারে। তবে কিছুদিনের মধ্যেই এইসব বিরূপ প্রতিক্রিয়া স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিলীন হয়ে যায়।

সতর্কতা :

যখন কিটোটিফেন দিয়ে চিকিৎসা শুরু করা হয় তখন উপসর্গীয় এবং প্রতিরোধমূলক হাঁপানিরোধী ওষুধ (যেমন জ্যানথিন উপজাত, বিটা- এগোনিস্টসোডিয়াম ক্রোমোগ্লাইকেট, কর্টিকোস্টেরয়েড) এর মাত্রা যা ব্যবহৃত হয়ে আসছে তা তাৎক্ষণিকভাবে কমানো উচিত নয়। এটি বিশেষভাবে সিস্টেমিক করটিকোস্টেরয়েড এবং এসিটিএইচ ইঞ্জেকশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কারণ স্টেরয়েড নির্ভরশীল রোগীর ক্ষেত্রে এ্যাড্রোনোকটিক্যাল অসমকার্যকারিতার সম্ভাবনা থেকেই যায়। চিকিৎসা শুরুর প্রথম কদিন স্বাভাবিক কার্যকলাপ বিঘ্নিত হতে পারে। ব্যক্তি বিশেষের উপর কিটোটিফেন এর ক্রিয়া সম্পর্কে সুনিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত যানবাহন যন্ত্রপাতি চালনা সম্পর্কে রোগীদের সতর্ক করে দেয়া উচিত।

গর্ভাবস্থায় স্তন্যদানকালে ব্যবহার :

গর্ভাবস্থায় : গর্ভাবস্থায় কিটোটিফেন এর নিরাপত্তা এখনও প্রতিষ্ঠিত নয়। কাজেই গর্ভকালীন সময়ে শুধুমাত্র সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কিটোটিফেন দেয়া যাবে।

স্তন্যদানকালে : কিটোটিফেন মাতৃদুগ্ধের মাধ্যমে নিঃসৃত হয়। কাজেই কিটোটিফেন গ্রহণকারী মায়েদের স্তন্যদান হতে বিরত থাকা উচিত।

প্রতিনির্দেশনা :

কিটোটিফেন অথবা এর যে কোন উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা।

যেসব রোগী একইসাথে কিটোটিফেন এবং মুখে সেব্য এন্টিডায়াবেটিক উপাদান গ্রহণ করে তাদের ক্ষেত্রে সাময়িকভাবে রক্তে থ্রন্থোসাইট স্বল্পতা কদাচিৎ দেখা যায়। অতএব ওষুধ দুটো একসাথে সেবন পরিহার করা উচিত।

কিটোটিফেন সিডেটিভ, হিপনোটিক, এন্টিহিস্টামিন এবং এ্যালকোহলের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয়।

অতিমাত্রা :

অতিমাত্রায় কিটোটিফেন প্রয়োগে দ্বিধাগ্রস্থতা, তন্দ্রাচ্ছন্নতা, স্মৃতিবিভ্রম, মাথাব্যথা, নাড়ির নিম্নগতি, শ্বাস-প্রশ্বাসের অবনমন ইত্যাদি দেখা যায়।

গ্যাস্ট্রিক ল্যাভেজ বা বমির মাধ্যমে অথবা সাধারণভাবে প্রচলিত অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতির দ্বারা ওষুধের মাত্রাধিক্যের চিকিৎসা করার সুপারিশ করা হয়।

সংরক্ষণ :

৩০°সে. এর উপরে সংরক্ষণ করা হতে বিরত থাকুন। আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন

বাণিজ্যিক মোড়ক :

দাম :

টোফেন ১ টি ট্যাবলেটের দাম  3.00 টাকা।
টোফেন ১টি 100 MLসিরাপের দাম 50.00 টাকা।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post