Itra 100 capsule । Itra 100 খাবার নিয়ম । itra price in bangladesh

 Itra 100mg

Capsule
Itraconazole
Square Pharmaceuticals Ltd.


https://www.himumedical.com/2023/07/itra-100-capsule-itra-100-itra-price-in.html


ব্যবহার :

শরীরের বিভিন্ন স্থানে সাধারণত ছত্রাকের সংক্রমের ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

যেমন ক্যানডিডিয়াসিস, পিটাইরিয়াসিস ভারসিকালার, টিনিয়াসিস, হিস্টোপ্লাজমোসিস, ক্রিপ্টোকক্কোসিসস রোগীসমূহের কার্যকারী হয়ে থাকে। এইডস রোগীদের ছত্রাকের পুনঃ সংক্রমণ প্রতিহার করতেএবং নিউট্রোপেনিয়ায় দীর্ঘদিন যাবত আক্রান্ত রোগীদের ছত্রাকের সংক্রমণ প্রতিরোধে এটা কাজ করে থাকে।

খাবার নিয়ম :

অরোফ্যারিঞ্জিয়াল ক্যানডিডিয়াসিস-প্রতিদিন ১০০ মি.গ্রা. (এইডস এবং নিউট্রোপেনিয়া রোগীদের ক্ষেত্রে ২০০ মি.গ্রা.) হারে ১৫ দিন খেতে হবে। ভালভোভ্যাজিনাল ক্যানডিডিয়াসিস-দৈনিক দুইবার ২০০ মি.গ্রা. হারে ১ দিন খেতে হবে। পিটাইরিয়াসিস ভারসিকালার- দৈনিক ২০০ মি.গ্রা. হারে ৭ দিন খেতে হবে। টিনিয়া করপোরিস এবং টিনিয়া ক্রুরিস-দৈনিক ১০০ মি.গ্রা. হারে ১৫ দিন অথবা দৈনিক ২০০ মি.গ্রা. হারে ৭ দিন খেত হবে। টিনিয়া পেডিস এবং টিনিয়া মানাম-দৈনিক ১০০ মি.গ্রা. হারে ৩০ দিন অথবা দৈনিক ২ বার করে খেতে হবে। ২০০ মি.গ্রা. হারে ৭ দিন।

অনাইকোমাইকোসিস-দৈনিক ২০০ মি.গ্রা. হারে ৩ মাস অথবা দৈনিক ২ বার ২০০ মি.গ্রা. হারে ৭ দিনের কোর্স, ২১ দিন পর পুনরায় কোর্স শুরু করতে হবে। ফিংগার নেইলস রোগের ক্ষেত্রে ২টি কোর্সে আছে এবং টোনেইলস রোগের ক্ষেত্রে ৩টি কোর্স আছে। সিস্টেমিক সংক্রমণ (অ্যাসপারজিলোসিস, ক্যানডিডিয়াসিস, ক্রিপ্টোকক্লোসিস যা ক্রিপ্টোকক্কাল মেনিনজাইটিস সহ) যেখানে অন্যান্য ছত্রাক বিরোধী ঔষধ অনুপযোগী বা অকার্যকর- দৈনিক ২০০ মি.গ্রা.হারে ১ বার, ইনভ্যাসিভ অথবা ডিসসেমিনেটেড রোগের ক্ষেত্রে খাবার মাত্রা বৃদ্ধি করতে হবে এবং ক্রিপ্টোকক্কাল মেনিনজাইটিস এর ক্ষেত্রে দৈনিক ২০০ মি.গ্রা. হারে ২ বার করে খেতে হবে। হিস্টোপ্লাজমোসিস-দৈনিক ২০০ মিগ্রা হারে ১ বা ২ বার করে খেতে হবে। এইডস রোগীদে

ক্ষেত্রে ছত্রাক সংক্রমণ প্রতিরোধে এবং নিউট্রোপেনিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় দৈনিক ২০০ মি.গ্রা. হারে ১ বার করে খেতে হবে, কম প্লাজমা ঘনত্বের ক্ষেত্রে দৈনিক ২০০ মি.গ্রা. হারে ২ বার বৃদ্ধি করতে হবে।

বাচ্চাদের ক্ষেত্রে: দৈনিক নির্দেশিত মাত্রা ৩-৫ মি.গ্রা./ কেজি।

ওভারডোজ :

যদি মনে করেন যে এই ওষুধটি অত্যাধিক মাত্রায় ব্যবহার করে ফেলেছেন তাহলে তাড়াতাড়ি চিকৎসের পরামর্শ নিন অথবা নিকটবর্তী কোন হাঁসপাতালেযোগাযোগ করুন।

অতিরিক্ত মাত্রায় জন্য, রোগীর লক্ষণ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে হবে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া :

বমি বমি ভাব, তলপেটে ব্যথা, বদ হজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, মাথা ব্যথা, ঘুমঘুম ভাব, যকৃতের উৎসেচক বৃদ্ধি, মাসিকের অসুবিধা, এলার্জি (প্রুরিটাস, র‍্যাশ, আর্টিকারিয়া, এনজিওইডিমা), হেপাটাইটিস এবং কোলিস্টাটিক জন্ডিস, পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি, স্টিভেনস-জনসন সিন্ড্রোম। অনেক দিনের ব্যবহারে হাইপোক্যালেমিয়া, ইডিমা এবং চুল পড়া উপসরইত্যাদি দেখা দিতে পারে।

অনুপযোগিতা: ইট্রাকোনাজল অথবা এর যে কোন উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীল রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার উপযোগী নয়। গুরুতর যকৃতের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ইট্রাকোনাজল সেবন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রিফামপিসিন সেবনকারী রোগীদের ইট্রাকোনাজল গ্রহনের পরামর্শ এখনো দেওয়া হয়নি। কারণ, ইহা প্রাথমিকভাবে ইট্রাকোনাজলের বিপাক হ্রাস এবং পরবর্তীতে ত্বরান্বিত করে।

সতর্কতা :

গ্যাস্ট্রিক এসিডিটি হ্রাস পেলে শোষণ প্রক্রিয়া ব্যহত হয়। যে সকল রোগী এসিড প্রশমনকারী ঔষধ (যেমন-অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড) সেবন করে, ইট্রাকোনাজল গ্রহণ করার ২ ঘন্টা পরে ইহা সেবন করা উচিত। কারণ পূর্ণমাত্রায় খাদ্য গ্রহণের পর ইট্রাকোনাজল সেবন করা উচিত। ইট্রাকোনাজল এক মাসেরও অধিক সময় যাবৎ সেবন কালে হেপাটাইটিস ও জন্ডিস হতে পারে। তাই যে সকল রোগী এক মাসেরও বেশি সময় যাবৎ ধারাবহিক ভাবে সেবন করছেন, তাদের যকৃতের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণে রাখার উপদেশ দেওয়া হয়েছে।

অন্যান্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া :

টারফিনাডিন, অ্যাসটিমাজোল, সিসাপ্লাইড, এইচ এম জি-কোএ রিডাকটেজ প্রতিরোধক যেমন সিমভাসটাটিন, মুখে সেবনযোগ্য মিডাজোলাম ও ট্রায়াজোলাম এর সাথে ইট্রাকোনাজল গ্রহণ করা উচিত নয়। কারণ রিফামপিসিন, ফেনিটইন, ফেনোবার্বিটাল, ডিগক্সিন এবং ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকারস এর সাথে ইট্রাকোনাজল ব্যবহার করা হলে প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালীণ সময়ে ব্যবহার :

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালীন সময়ে ইট্রাকোনাজল ব্যবহার করা যাবে না।

সংরক্ষণ :

২৫° সেঃ তাপমাত্রায় নিচে সংরক্ষণ করুন। আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

সরবরাহ :

ইট্রা ক্যাপসুল প্রতিটি বাক্সে রয়েছে 24 টি ক্যাপসুল অ্যালু-অ্যালু রিস্টার প্যাক।

দাম :

ইট্রা ১০০ ক্যাপসুল প্রতি পিসের দাম 15.01 টাকা।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post