ওমিটর ২০ মি.গ্রা. ক্যাপসুল

 

ওমিটর  ২০ মি.গ্রা. ক্যাপসুল

ওমিপ্রাজল বিপি



সুচিপত্র :

কোটেড পিলেটস হিসাবে।ওমিটর আইভি ইঞ্জেকশন প্রতিটি ভায়ালে আছে বিশুদ্ধ ওমিপ্রাজপ সোডিয়াম বিপি যা ৪০ মি.গ্রা ওমিপ্রাজল এর সমতুল্য

উপাদান , ফার্মাকোলজি , নির্দেশনা , সেবনবিধি  মাত্রা  আইডি ইঞ্জেকশন , গর্ভাবস্থায় ও স্থন্যদানকালে ব্যবহার , পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া , দাম , সংরক্ষণ এবং প্রস্তুতকারক।

উপাদান :

ওমিটর ২০ মি.গ্রা. ক্যাপসুল। প্রতিটি ক্যাপসুলে আছে ওমিপ্রাজণ বিপি ২০ মিগ্রা এক্টেরিক

ফার্মাকোলজি :

ওমিটর (ওমিপ্রাজল) একটি প্রতিস্থাপিত বেনজিমিডাকোপ জাতীয় ঔষধ যা গ্যাস্ট্রিক এসিড নিঃসরণে প্রতিবন্ধক হিসাবেকাজ করে। কমিপ্রাজল গ্যাস্ট্রিক প্যারাইটাল কোষের হাইড্রোজেন- পটাশিয়াম- এ্যাডিনোসিন ট্রাইফসফেটেজ সিস্টেম (যা"প্রাটন পাম্প" হিসাবে পরিচিত) এক বাধা দিয়ে গ্যাস্ট্রিক এসিড নিঃসরণে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে। এটা গ্যাস্ট্রিক ডিওডেনাল আলসার এবং বিশেষভাবে ইরোসিভ রিফ্লাক্স ইসোফেগাইটিস এর ক্ষেত্রে একটি কার্যকারী চিকিৎসা। মুখেসেবনের পর প্রমিটির বিভিন্ন মাত্রায় দ্রুত শোষিত হয়। ওমিটর প্রায় সম্পূর্ন বিপাক হয় এবং মূত্রের সাথে দ্রুত দেহ থেকেবেড়িয়ে যায়। যদিও এলিমিনেশন হাফলাইফ সংক্ষিপ্ত অর্থাৎ .-. ঘণ্টা তথাপি গ্যাস্ট্রিক এসিড নিঃসরণে এরপ্রতিবন্ধকতা দীর্ঘক্ষণ ব্যাপী। টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়ায় এবং বিশেষভাবে গ্যাস্ট্রিক প্যারাইটাল কোষে ভালভাবে পৌঁছায় বলে এই রকম কার্যকারিতা দেয়। ওমিটর অধিক পরিমানে (প্রায় ৯৫%) প্লাজমা প্রোটিনের সাথে আবদ্ধ হয়।

নির্দেশনা :

গ্যস্ট্রিক ডিওডেনাল আলসার, নন-স্টেরয়ডাল প্রদাহরোধী ঔষধ দ্বারা চিকিৎসার ফলে সৃষ্ট জটিলতা, ইরোসিভরিফ্লাক্ত ইসোফেপাইটিস এবং অত্যাধিক গ্যাস্ট্রিক এসিড নিঃসরণ জনিত জটিলতা যেমন জোলিঞ্জার এলিসন সিনড্রোম।

সেবনবিধি মাত্রাঃ

ক্যাপসুল এবং ট্যাবলেটঃ ওমিপ্রাজল খাবার পূর্বে গ্রহণ করা উচিত।

গ্যাস্ট্রিক  ডিওডেনাল আলসার, নন-স্টেরয়ডাল প্রদাহরোধী ওষুধ দ্বারা চিকিৎসাকালীনঃ দৈনিক ২০ মিগ্রা করে সপ্তাহ পর্যন্ত সেব্য ডিওডেনাল আলসারের ক্ষেত্রে অথবা সপ্তাহ পর্যন্ত সেব্য গ্যাস্ট্রিক আলসারের ক্ষেত্রে। রোগের তীব্রঅবস্থায় মাত্রা দিনে ৪০ মিগ্রা পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। দীর্ঘকালীন এই ওষুধ ব্যবহার করার পরামর্শ দেয়া হয় না।

রিফ্লাক্স ইসোফ্লেপাইটিস এর চিকিৎসায় দিনে ২০ মিগ্রা করে সপ্তাহ সেব্য, যদি নিরাময় না হয় তাহলে আরও -৮ সপ্তাহ পর্যন্ত সেব্য

জোলিঙ্কার এলিসন সিনড্রোম প্রাথমিক ভাবে ৬০ মিগ্রা দিনে একবার সেব্য। স্বাভাবিক মাত্রা হল দিনে ২০-১২০ মিগ্রা(৮০ মিগ্রা এর উপরে দুইটি বিভক্ত মাত্রায়) অধিক মাত্রায় দিনে ১৮০ মিগ্রা বিভক্ত মাত্রায় দেয়া যেতে পারে। অথবাচিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।

উপাদান , ফার্মাকোলজি , নির্দেশনা , সেবনবিধি  মাত্রা  আইডি ইঞ্জেকশন , গর্ভাবস্থায় ও স্থন্যদানকালে ব্যবহার , পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া , দাম , সংরক্ষণ এবং প্রস্তুতকারক।

উপাদান :

ওমিটর ২০ মি.গ্রা. ক্যাপসুল। প্রতিটি ক্যাপসুলে আছে ওমিপ্রাজণ বিপি ২০ মিগ্রা এক্টেরিক

আইডি ইঞ্জেকশন:

ডিওডেনাল আলসার, গ্যাস্ট্রিক আলসার অথবা রিফ্লাক্স ইসোফেগাইটিস:
ডিওডেনাল আলসার, গ্যাস্ট্রিক আলসার অথবা রিফ্লাক্স ইসোফেগাইটিস এর রোগীদের মধ্যে যাদের জন্য মুখে সেবনীয়
ওষুধ অপর্যাপ্ত তাদের জন্য ৪০ মি.গ্রা আইভি দৈনিক একবার নির্দেশিত।
জোলিজার-এলিসন সিনড্রোম :
জোলিনজার-এলিসন সিনড্রোম এর রোগীদের জন্য প্রাথমিক ভাবে শিরাপথে দৈনিক ৬০ মি.গ্রা ওমিপ্রাজল নির্দেশিত।
উচ্চ মাত্রায় প্রয়োগ দরকার হতে পারে সেক্ষেত্রে ব্যক্তি বিশেষে মাত্রা ঠিক করে নিতে হবে। দৈনিক মাত্রা ৬০ মি.গ্রা এর
বেশী হলে বিভক্ত মাত্রায় দৈনিক ২ বার প্রয়োগ করতে হবে।
শিশুদের ক্ষেত্রে:
গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ এবং অন্যান্য এসিড জনিত জটিলতায়
মাত্রা
দৈনিক ১০ মি.গ্রা., প্রয়োজনে দৈনিক ২০ মি.গ্রা.
দৈনিক ২০ মি.গ্রা., প্রয়োজনে দৈনিক ৪০ মি.গ্রা.
> ১ বছর
> ২ বছর
সতর্কতাঃ
১০-২০ কেজি
> ২০ কেজি
ওমিটর দ্বারা আলসার লক্ষণ সমূহ দূরীভূত হলেও ম্যালিগনেন্সির অনুপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে না।

গর্ভাবস্থায় ও স্থন্যদানকালে ব্যবহার:

অন্য কোন নিরাপদ ঔষধ থাকলে গর্ভাবস্থায় এই ঔষধ পরিহার করা উচিৎ। যদি ওমিটর এর ব্যবহার অতীব প্রয়োজনীয়
হয় তাহলে স্থন্য দানে বিরত থাকতে হবে।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া:

ওমিটর ভালভাবে সহনীয়। মৃদু এবং অস্থায়ী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, তলপেটে ব্যথা,
অস্বস্থি-বোধ, মাথা ঝিম ঝিম করা এবং মাথা ব্যথা। এই ক্ষেত্রে সেবন মাত্রা কমানোর প্রয়োজন নেই।
ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন:
ওমিপ্রাজল ব্যবহারের সময় ডায়াজিপাম, ফেনিটয়েন এবং ওয়ারফারিন এ নিঃসরণ বিলম্বিত হয়। যখন ওমিপ্রাজল
চিকিৎসায় যুক্ত হয় তখন ওয়ারফারিন এবং ফেনিটয়েন এর মাত্রা কমানোর প্রয়োজন হয়। থিউফাইলিন, প্রোগ্রামোলল
অথবা এন্টাসিড- এর সাথে ওমিপ্রাজল এর ইন্টারঅ্যাকশনের কোন প্রমাণ নাই।

দাম :

ওমিটর ২০ মি.গ্রা. ক্যাপসুল  ১টির দাম মাত্র ৪ টাকা




সংরক্ষণ:

ঠান্ডা এবং শুষ্ক জায়গায় (২৫°সে. তাপমাত্রার নীচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখা উচিত।

ওমিটর ২০ মিগ্রা ক্যাপসুল: প্রতিটি বক্সে আছে ১০ x ১০টি ক্যাপসুল অ্যালু অ্যালু ব্রিষ্টার স্ট্রিপ।

ওমিটর ২০ মিগ্রা ক্যাপসুল: প্রতিটি বক্সে আছে ৬ × ১০ টি ক্যাপসুল অ্যালু অ্যালু খ্রিষ্টার স্ট্রিপ।

ওমিটর ৪০ মিগ্রা আইভি ইঞ্জেকশন: প্রতিটি কম্বিপ্যাকে আছে ১ ভায়াল ৪০ মিগ্রা ওমিপ্রাজল এবং ১০ মিলি বিশুদ্ধ

০.৯% সোডিয়াম ক্লোরাইড বিপি ইঞ্জেকশন এর একটি এম্বুল।

প্রস্তুতকারকঃ

এ্যাসট্রা

বায়োফার্মাসিউটিক্যালস


1 Comments

Post a Comment
Previous Post Next Post